বাংলাদেশ ০৪ জুলাই ২০২৬

জুলাই নিয়ে কটাক্ষ: শাওন-মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ঢাকাঃ জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগ ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে ‘অবমাননাকর বক্তব্য’ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও শান্তা ফারজানা নামের এক নারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এ এন এম আয়াস ও তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ করেন।গতকাল শুক্রবার সকালে সংগঠনটির তিন কেন্দ্রীয় নেতা শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে এই লিখিত অভিযোগ জমা দেন। আজ শনিবার (৪ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ১,৪০০-এর অধিক শহীদ ও ৩০ হাজারের অধিক আহত বিপ্লবী মানুষের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে জুলাই আন্দোলন, এর স্মৃতিচিহ্ন এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে অবমাননাকর কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য প্রদান করেছেন।প্রথমত, শান্তা ফারজানা নামে একজন ব্যক্তি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ/আঘাত করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তার ফেসবুক লিংকে প্রকাশ করেছেন বলে দেখা যায়, যা শহীদদের স্মৃতির প্রতি অবমাননাকর এবং জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।দ্বিতীয়ত, মেহের আফরোজ শাওন বিভিন্ন ভিডিও বার্তা তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিংকে জুলাই আন্দোলনকে পরিকল্পিত বা সাজানো ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং রাষ্ট্র ও জুলাই আন্দোলন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।তৃতীয়ত, মাহিয়া মাহী তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিংকে এমন বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যেখানে তিনি জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে কটাক্ষ করে তাদের অভিনয় করার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার বক্তব্যে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের হেয় করা হয়েছে বলে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগটি সাইবার অপরাধসংক্রান্ত হওয়ায় তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি সাইবার বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ডিবি সাইবার বিভাগ বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner