টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )কুমিল্লাঃ কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৫) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমনকে (৩৫) আদালতে নেওয়া হয়েছে। ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৩টায় কুমিল্লা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মমিনুল হকের আদালতে তাকে হাজির করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পংকজ বড়ুয়া। তিনি জানান, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এ ঘটনায় সুমনের একক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে রেসকোর্স এলাকায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে তাজমিন। ৩০০ টাকা ভাড়ায় তাজমিনকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশায় তোলেন সুমন।পুলিশের দাবি, সুমন কৌশলে লালমাইয়ের একটি ফসলি জমিতে নিয়ে তাজমিনকে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। হত্যার পর তাজমিনের মোবাইল ফোন নিয়ে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায় সে। শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে পুলিশ।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাইয়ের পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা মল্লিকপাড়ার আবদুল আলীমের মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা শহরে বসবাস করতো সে। শহরের ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো তাজমিন।
স্কুলছাত্রী জান্নাতুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, চাঞ্চল্যকর তথ্য অটোচালক সুমনের








