বাংলাদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ঢাকাঃ কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দেশের প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে গড় আয়ু বাড়ছে। এই দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য যেমন নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে, তেমনি তাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করে তোলার প্রয়োজনীয়তাও সামনে নিয়ে এসেছে।তিনি জানান, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের ধারণার আলোকে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা শক্তিশালী করতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। প্রবীণদের অবহেলা না করে তাঁদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখার লক্ষ্যে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং এর উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সাথে সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলেছে।প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই একটি কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—এই তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বজায় রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্র ও সমাজে আবহমান কালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ যত বেশি বজায় থাকবে, সমাজে প্রবীণদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদা তত বেশি সুরক্ষিত থাকবে। প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে জানিয়ে তিনি দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান এবং দিবসের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner