বাংলাদেশ ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলো জ্বলছে, কিন্তু ঋণের বোঝা ভারী: বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া নিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ঢাকাঃ  গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, আমরা স্বীকার করি—আমাদের সময়ে লোডশেডিং ছিল। তবে আমরা জাতির ঘাড়ে অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে যাইনি। এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দেশের ওপর ঋণের চাপ অনেক বেড়েছে। আমার মতে, ঋণে জর্জরিত থাকার চেয়ে কষ্ট করে চলা উত্তম।ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।এর আগে বিদ্যুৎ খাতের ৭৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ও লোকসান নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে নিজ দপ্তরে এক বৈঠক করেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। সেখানে বলা হয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছে বিভিন্ন কোম্পানির পাওনা এখন ৪৬ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৩০ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন সরকারি কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসান। এই বকেয়া ও লোকসানের টাকা দেওয়া না হলে বিদ্যুতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়েছে, সেখানে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেই। যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে, সেখানে বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হচ্ছে। পুরোই হযবরল অবস্থা। তিনি বলেন, আমার সময় বিদ্যুতে সিস্টেমলস ছিল ৬ শতাংশ। ১৯ বছর পরে এসে দেখছি ১০ শতাংশ হয়ে গেছে। ১ শতাংশ সমান ৫০ লাখ টাকা। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা। প্রাথমিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য। এটা করা গেলে লোকসান কমে আসে। না হলে দায় আরও বাড়বে, আইএমএফ এসে চাপ দেবে। আমরা বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে ভাবছি। যাতে উভয়পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে নিউজ হচ্ছে, এটা নিউজ নয়। গ্যাসের কূপ খনন করা হয়নি। আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চাই না। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দিচ্ছি। রিগ কেনা হবে, সেখানে দক্ষ জনবল দরকার।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner